করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে ‘কম্যুনিটি সংক্রমণ’ শুরু, পঞ্চম ব্যক্তির মৃত্যু

One more died of coronavirus (Covid-1) in Bangladesh. About five people died in the country. However, the first company acknowledged that community transmission was taking place in Bangladesh, even though it was of limited size.

However, no new Covid-1 infected patient was identified within 24 hours.

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট পাঁচজনের মৃত্যু হলো। তবে এই প্রথম সংস্থাটি স্বীকার করে নিলো যে বাংলাদেশে সীমিত আকারে হলেও কম্যুনিটি সংক্রমণ হচ্ছে বলে সংস্থাটি ধারণা করে।

তবে ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।

বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এই তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের কম্যুনিটি ট্রান্সমিশন হয়েছে কিনা, এই প্রশ্নে জবাবে তিনি বলছেন, ” আমরা দুইটি ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করছিলাম। এখন পর্যন্ত সেখানে সংক্রমিত হওয়ার উৎস সম্পর্কে জানা যায়নি। সে কারণে সীমিতভাবে কম্যুনিটি ট্রান্সমিশন হয়ে থাকতে পারে বলে আমরা মনে করছি। কিন্তু কম্যুনিটি ট্রান্সমিশন বলার আগে আগে আমাকে বিস্তারিত তথ্যের বিশ্লেষণে বলতে হবে।”

”লিমিটেড স্কেলে যে এলাকাটির কথা আমরা বলছি, সেখানে লোকাল ট্রান্সমিশন হয়ে থাকতে পারে ভেবে আমরা ওই এলাকাটিকে আমরা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে সেটা প্রতিরোধ করার কার্যক্রম নিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এটা সারা বাংলাদেশব্যাপী ট্রান্সমিশন হয়েছে, এরকম কোন পরিস্থিতি এখনো হয়নি।” তিনি বলছেন।

কম্যুনিটি সংক্রমণ প্রশ্নে এর আগে আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেছেন, ”যখন কোন সংক্রমক রোগের বিস্তার এমনভাবে ঘটে যে, তার উৎস সম্পর্কে তথ্য জানা যায় না, যেমন কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে যখন বিদেশফেরতদের সংস্পর্শ ছাড়াই একজন ব্যক্তি থেকে আরেকজন ব্যক্তির শরীরে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে, হয়তো কাজ বা কেনাকাটা করতে গিয়ে, অথবা এমন মানুষের মধ্যে ছড়ায় যারা মনে করেন যে, তারা আক্রান্ত হয়নি, এভাবে রোগটি ছড়িয়ে পড়লে তখন তাকে কম্যুনিটি সংক্রমণ বলা হয়। তবে কোভিড-১৯ সংক্রমণের মতো ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির পূর্ব ইতিহাস পাওয়া যায়, যেমন তিনি বিদেশে ভ্রমণ করেছেন কিনা অথবা বিদেশি বা বিদেশফেরত কারো সংস্পর্শে এসেছিলেন কিনা, তখন পর্যন্ত সেটিকে কম্যুনিটি সংক্রমণ বলা যাবে না।”

বিশ্বের অনেক দেশেই কোভিড-১৯ ভাইরাসের কম্যুনিটি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, সার্স ভাইরাসের মহামারী কম্যুনিটি ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে হয়েছিল।

বুধবার সকালে যিনি মারা গেছেন, তিনি ১৮ মার্চ কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছিলেন। তখন তিনি তাঁর এলাকার একটি হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ২১ তারিখ থেকে তাকে ঢাকায় এনে চিকিৎসা দেয়া হয়। তাঁর বয়স ছিল ৬৫। তাঁর ডায়াবেটিস ও হাইপার টেনশন ছিল বলে আইইডিসিআর জানিয়েছে।

সংস্থাটি বলেছে. সংক্রমিতদের মধ্যে আরো দুইজন সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেছেন। এ নিয়ে মোট সাতজন সুস্থ হয়েছেন।

এ নিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৩৯জন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেছেন সাতজন।

বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন ৪৭জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৪৭জন।

করোনাভাইরাসের পরীক্ষার কেন্দ্র আরো বৃদ্ধি করতে যাচ্ছে সরকার। ঢাকার বেশ কয়েকটি হাসপাতালসহ ঢাকার বাইরের কয়েকটি হাসপাতালে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে তিনি জানান

It is advisable to contact IEDCR at ০১৯৪৪৩৩৩২২২ OR ১০৬৫৫. 

About help desk

Check Also

করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে নতুন ৩০৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত, মারা গেছে ৯ জন

বাংলাদেশে নতুন করে ৩০৯ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে এনিয়ে মোট শনাক্ত হওয়া কোভিড-১৯ …