করোনাভাইরাস: লকডাউনে নিম্নআয়ের মানুষের নাভিশ্বাস, পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা নেই

Roads in Dhaka that used to be on CNG, Rickshaw Anagona, or the streets where the ferrywalker’s call was active in the morning – noon, now there is silence. Rickshaw or CNG can not be seen on major roads or even in Allegheny.The same image is in the district or upazila city.

” The situation is very bad. Our market is bad after school and college holidays. Now there are no people on the road, we have no source of income. Don’t let us run CNGs. We don’t have the money to freeze. I have to rent a house, get food, I have a lot of trouble with the baby. ”

ঢাকার যেসব রাস্তা সিএনজি, রিক্সার আনাগোনা লেগে থাকতো, অথবা যেসব গলিতে ফেরিওয়ালার ডাকে সরগরম থাকতো সকাল- দুপুর, সেখানে এখন নীরবতা। বড় সড়ক বা অলিগলিতেও রিক্সা বা সিএনজির দেখা মেলে না।

একই চিত্র জেলাশহর বা উপজেলা শহরেও।

”অবস্থা খুব খারাপ। স্কুল-কলেজ ছুটির পর থেকেই আমাদের বাজার খারাপ। এখন তো রাস্তায় লোকজনই নেই, আমাদের আয়ের উৎস নেই। আমাদের সিএনজিও চালাতে দেয় না। আমাদের তো আর জমানো টাকা থাকে না। বাড়ি ভাড়া দিতে হয়, খাবার জোগাড় করতে হয়, বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে বহুত কষ্টে আছি।”

today govt job circularএকইরকম কথা বললেন ঢাকার আরও কয়েকজন রিকশাচালক, সবজি বিক্রেতা।

বাংলাদেশে গত তিনদিন ধরে অঘোষিত লকডাউনে জনজীবন থমকে গেছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে স্কুল কলেজ, অফিস আদালত বন্ধ করে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর সবাইকে ঘরের ভেতরে থাকার আহবান জানিয়েছে সরকার, যা আরও সাতদিন ধরে চলবে।

কিন্তু এই লকডাউনের ফলে বিপদে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষেরা, যাদের প্রতিদিনের আয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়।

তবে করোনাভাইরাসের কবল থেকে রক্ষা পেতে এই কষ্টটুকু মেনে নিচ্ছেন মানিকগঞ্জের সবজি চাষী কমল চোকদার।

তিনি বলছেন, ”সবজি বিক্রি কমে গেছে, কারণ দূরের কোন পাইকার আসছে না। দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। কিন্তু তারপরেও সমস্যাটা মেনে নিয়েছি। করোনাভাইরাস নিয়ে যে অবস্থা তাতে যদি আমরা একটু নিরাপদে থাকতে পারি, তাহলে এই অসুবিধা হলেও সেটাকে অসুবিধা মনে করছি না।”

বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলছেন, অনেক জায়গায় পর্যাপ্ত সহায়তা না পাওয়ার বিষয়টি তারাও জানতে পেরেছেন। তবে তারা সব জায়গায় চাহিদামত খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করছেন।

তিনি বলছেন, ”প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি যাতে কর্মহীন মানুষের কোন খাদ্যকষ্ট না হয়। এর মধ্যেই ২৪ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। টাকাও বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যেরকম চাহিদা আসছে, সেই অনুযায়ী আমরা বরাদ্দ দিচ্ছি।”

কিন্তু অনেক স্থানেই যথেষ্ট বরাদ্দ না পাওয়া বা একেবারেই বরাদ্দ না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অনেক নিম্নআয়ের মানুষ বলছেন, তারা কোন সহায়তাই পাননি।

এই প্রসঙ্গে মি. রহমান বলছেন, ”এটাও সত্য যে শতভাগ জায়গায় খাদ্য সহায়তা পৌঁছেছে বলবো না, আমাদের কাছেও এই অভিযোগ এসেছে। যে জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে, সেই অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা করছি।”

”সারা দেশব্যাপী কর্মকাণ্ড, একদিনেই সেটা শতভাগ মানুষের কাছে পৌঁছানো কঠিন হবে। আস্তে আস্তে সেটা কভারেজের আওতায় চলে আসবে,” তিনি বলছেন।

About help desk

Check Also

করোনাভাইরাস: বাংলাদেশে নতুন ৩০৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত, মারা গেছে ৯ জন

বাংলাদেশে নতুন করে ৩০৯ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে এনিয়ে মোট শনাক্ত হওয়া কোভিড-১৯ …